কৃত্তিম ভাবে ডিমে তাপ দেয়ার যন্ত্রকে ইনকিউবেটর বলে।এ যন্ত্রটি ঘরে বসেও বানানো যেতে পারে।এটি তৈরীকরতে লাগবে:
*কাঠের বাক্স
*৬০ ওয়াটের বাল্ভ
*পানির পাএ
*তুলা
*থামোমিটার
পদ্ধতি:
———-
প্রথমে কাঠের বাক্সের উপরের দিকে বাল্ভ লাগাতে হবে।বাল্ভ এর ঠিক নিচের দিকে পানির পাএ বসাই।পানির পাএের পাশে ডিম রাখি।খড় বা তুলার উপর ডিমগুলো রাখতে হবে।ডিমের ঠিক উপরে কাঠের বাক্সটিতে একটা ফুটো করে সেখানে থামোমিটার ঢুকিয়ে দেই।বাক্সটি ভালভাবে টাইট করে লাগাতে হবে।যেখানে জোড়া বা ছিদ্র রয়েছে সেখানে তুলো দিতে হবে।বাইরের তাপ যাতে ঢুকতে না পারে কোনভাবেই।আবার যদি বাইরের বাতাস ঢুকাতে হয় সেজন্য জোড়াগুলোতে তুলো দিতে হবে।প্রয়োজন অনুযায়ী তুলো খুলে ফেলা যাবে ,আবার জুড়েও দেওয়া যাবে।
ডিম ঠেকে বাচ্চা ফুটার জন্য ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং ৬০% আপেক্ষিক আদ্রতা দরকার।তাই প্রজেক্ট এই মাপেই তাপমাএা বজাই রাখতে হবে।এই ইনকিউবেটারে ৩টা ডিম ২১ দিনে ফুটানো সম্ভব।তাপমাএা নিয়ন্তণ করতে ইচ্ছা করলে রেগুলেটর ব্যবহার করা যেতে পারে ।বাল্ভের ওয়াট কমিয়ে বাড়িয়ে তাপমাএা নিয়ন্ত্রন করা যাবে।আদ্রতা ঠিক রাখার জন্য পানির পাএে পানি কমাতে বা বাড়াতে হবে।
কম খরচেই এই ইনকিউবেটার বানানো যাবে।তবে সতক্ ভাবে বানাতে হবে।
(বি:দ্রঃক্যামেরা নষ্ট থাকার কারনে আমারটার ছবি দিতে পারলাম না)
*কাঠের বাক্স
*৬০ ওয়াটের বাল্ভ
*পানির পাএ
*তুলা
*থামোমিটার
পদ্ধতি:
———-
প্রথমে কাঠের বাক্সের উপরের দিকে বাল্ভ লাগাতে হবে।বাল্ভ এর ঠিক নিচের দিকে পানির পাএ বসাই।পানির পাএের পাশে ডিম রাখি।খড় বা তুলার উপর ডিমগুলো রাখতে হবে।ডিমের ঠিক উপরে কাঠের বাক্সটিতে একটা ফুটো করে সেখানে থামোমিটার ঢুকিয়ে দেই।বাক্সটি ভালভাবে টাইট করে লাগাতে হবে।যেখানে জোড়া বা ছিদ্র রয়েছে সেখানে তুলো দিতে হবে।বাইরের তাপ যাতে ঢুকতে না পারে কোনভাবেই।আবার যদি বাইরের বাতাস ঢুকাতে হয় সেজন্য জোড়াগুলোতে তুলো দিতে হবে।প্রয়োজন অনুযায়ী তুলো খুলে ফেলা যাবে ,আবার জুড়েও দেওয়া যাবে।
ডিম ঠেকে বাচ্চা ফুটার জন্য ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং ৬০% আপেক্ষিক আদ্রতা দরকার।তাই প্রজেক্ট এই মাপেই তাপমাএা বজাই রাখতে হবে।এই ইনকিউবেটারে ৩টা ডিম ২১ দিনে ফুটানো সম্ভব।তাপমাএা নিয়ন্তণ করতে ইচ্ছা করলে রেগুলেটর ব্যবহার করা যেতে পারে ।বাল্ভের ওয়াট কমিয়ে বাড়িয়ে তাপমাএা নিয়ন্ত্রন করা যাবে।আদ্রতা ঠিক রাখার জন্য পানির পাএে পানি কমাতে বা বাড়াতে হবে।
কম খরচেই এই ইনকিউবেটার বানানো যাবে।তবে সতক্ ভাবে বানাতে হবে।
(বি:দ্রঃক্যামেরা নষ্ট থাকার কারনে আমারটার ছবি দিতে পারলাম না)
সাতক্ষীরায় পোলট্রি শিল্পের দিন দিন প্রসার ঘটছে। এগিয়ে আসছে উদ্যমী তরুণরা। এদেরই একজন অমল বিশ্বাস। পোলট্রি ব্যবসার পাশাপাশি এ শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় বাচ্চা উত্পাদনের জন্য স্বল্পমূল্যের একটি ইনকিউবেটর মেশিন তিনি উদ্ভাবন করেছেন। এক বছরের পরিশ্রমে তার তৈরি এ ইনকিউবেটর মেশিন দ্বারা সহজ পদ্ধতিতে ও আর্থিক সাশ্রয়ে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো সম্ভব হচ্ছে।
সাতক্ষীরা জেলা শহরের পলাশপোল এলাকার অনীল বিশ্বাসের ছেলে অমল বিশ্বাস মূলত একজন পোলট্রি ফার্মের মালিক। তিনি এক বছরের চেষ্টার পর সমপ্রতি একটি ইনকিউবেটর মেশিন আবিষ্কার করেছেন। মেশিনটি তৈরি করতে তার খরচ হয়েছে ৫২ হাজার টাকা। এর মাধ্যমে একসঙ্গে ২৮২৮টি ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানো সম্ভব। এ মেশিন দ্বারা যে কোনো ধরনের মুরগির ডিম ফোটাতে সময় লাগে ১৮-২১ দিন, হাসের ডিম হলে সময় লাগে ২৮ দিন, কোয়েল-কবুতরের ডিমের জন্য সময় লাগে ১৬ থেকে ১৭ দিন। বাচ্চা উত্পাদনের হার শতকরা ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ। অমল বিশ্বাস জানান, বর্তমানে পোলট্রি ফার্মে বিনিয়োগের তুলনায় লাভ কম। কারণ হিসেবে তিনি জানান, খুব বেশি দামে এখন পোলট্রি খামারে ব্যবহূত সরঞ্জামাদি কিনতে হচ্ছে। তা ছাড়া চড়া দামে বাচ্চা ও খাদ্য কিনতে হচ্ছে। পোলট্রিশিল্পকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে এক বছর নিরলস পরিশ্রম করে তিনি এ মেশিন তৈরি করতে সক্ষম হন। এ মেশিনের মাধ্যমে খামারিরা অপেক্ষাকৃত স্বল্প খরচে পোলট্রি মুরগিসহ দেশীয় মুরগির বাচ্চা উত্পাদন করতে পারবে। এর দ্বারা উত্পাদিত বাচ্চার মৃত্যুর হারও কম বলে তিনি জানান। এই মেশিনের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তিনি বলেন, এ মেশিনে ছেটার ও হিটার একসঙ্গে রয়েছে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য কুলিং ফ্যান রয়েছে। মেশিন ব্যবহার করার জন্য দরজা খোলার প্রয়োজন নেই। রয়েছে ডিজিটাল ডিসপ্লে হিটার। বিদ্যুত্ না থাকলে জেনারেটর-ব্যবস্থা রয়েছে। মেশিনটির বাজারমূল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, বাজারে ৫শ’ ডিমের ক্যাপাসিটি-সম্পন্ন মেশিনের দাম ৫০ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ডিমের ক্যাপাসিটি-সম্পন্ন মেশিনের দাম এক লাখ টাকা। আর তার উদ্ভাবিত ২৮২৮টি ডিমের ক্যাপাসিটি-সম্পন্ন মেশিনেরমূল্য ৬০ হাজার টাকা। দেশের সম্ভাবনাময় এ অর্থনৈতিক খাতের প্রসারে অপেক্ষাকৃত স্বল্পমূল্যের এ মেশিনটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাতক্ষীরা জেলা শহরের পলাশপোল এলাকার অনীল বিশ্বাসের ছেলে অমল বিশ্বাস মূলত একজন পোলট্রি ফার্মের মালিক। তিনি এক বছরের চেষ্টার পর সমপ্রতি একটি ইনকিউবেটর মেশিন আবিষ্কার করেছেন। মেশিনটি তৈরি করতে তার খরচ হয়েছে ৫২ হাজার টাকা। এর মাধ্যমে একসঙ্গে ২৮২৮টি ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানো সম্ভব। এ মেশিন দ্বারা যে কোনো ধরনের মুরগির ডিম ফোটাতে সময় লাগে ১৮-২১ দিন, হাসের ডিম হলে সময় লাগে ২৮ দিন, কোয়েল-কবুতরের ডিমের জন্য সময় লাগে ১৬ থেকে ১৭ দিন। বাচ্চা উত্পাদনের হার শতকরা ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ। অমল বিশ্বাস জানান, বর্তমানে পোলট্রি ফার্মে বিনিয়োগের তুলনায় লাভ কম। কারণ হিসেবে তিনি জানান, খুব বেশি দামে এখন পোলট্রি খামারে ব্যবহূত সরঞ্জামাদি কিনতে হচ্ছে। তা ছাড়া চড়া দামে বাচ্চা ও খাদ্য কিনতে হচ্ছে। পোলট্রিশিল্পকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে এক বছর নিরলস পরিশ্রম করে তিনি এ মেশিন তৈরি করতে সক্ষম হন। এ মেশিনের মাধ্যমে খামারিরা অপেক্ষাকৃত স্বল্প খরচে পোলট্রি মুরগিসহ দেশীয় মুরগির বাচ্চা উত্পাদন করতে পারবে। এর দ্বারা উত্পাদিত বাচ্চার মৃত্যুর হারও কম বলে তিনি জানান। এই মেশিনের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তিনি বলেন, এ মেশিনে ছেটার ও হিটার একসঙ্গে রয়েছে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য কুলিং ফ্যান রয়েছে। মেশিন ব্যবহার করার জন্য দরজা খোলার প্রয়োজন নেই। রয়েছে ডিজিটাল ডিসপ্লে হিটার। বিদ্যুত্ না থাকলে জেনারেটর-ব্যবস্থা রয়েছে। মেশিনটির বাজারমূল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, বাজারে ৫শ’ ডিমের ক্যাপাসিটি-সম্পন্ন মেশিনের দাম ৫০ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ডিমের ক্যাপাসিটি-সম্পন্ন মেশিনের দাম এক লাখ টাকা। আর তার উদ্ভাবিত ২৮২৮টি ডিমের ক্যাপাসিটি-সম্পন্ন মেশিনেরমূল্য ৬০ হাজার টাকা। দেশের সম্ভাবনাময় এ অর্থনৈতিক খাতের প্রসারে অপেক্ষাকৃত স্বল্পমূল্যের এ মেশিনটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অবদানকারী
ব্লগ সংরক্ষাণাগার
Blogger দ্বারা পরিচালিত.

